BRTA ড্রাইভিং লাইসেন্স একাউন্ট খোলার গাইড
BRTA ড্রাইভিং লাইসেন্স একাউন্ট খোলার গাইড মেনে একাউন্ট খুললে দালাল সহ BRTA অফিসে ঘোরাঘুরি করবেন না।ঘরে বসেই অনলাইনে ফোন বা ল্যাপটপ দিয়ে“BRTA SERVICE PORTAL (BSP)’’ ওয়েবসাইট থেকে একাউন্ট তৈরি করতে পারবেন।
মোবাইল নাম্বার দিয়ে সঠিক জাতীয় পরিচয় নাম্বার দিয়ে এবং সকল ডকুমেন্ট দিয়ে খুব নির্ভুলভাবে একাউন্ট তৈরির প্রতিটি ধাপ সম্পন্ন করা যায়। কিভাবে প্রোফাইল তৈরি করবেন,কিভাবে লার্নারের জন্য আবেদন করে, স্মার্ট লাইসেন্স ডাউনলোড থেকে সবকিছু ধাপে ধাপে জেনে নিব।
সূচিপত্র:BRTA ড্রাইভিং লাইসেন্স একাউন্ট খোলার গাইড
- BRTA ড্রাইভিং লাইসেন্স অ্যাকাউন্ট খোলার গাইড
- বিএসপি পোর্টালে ঢুকতে কি কি প্রস্তুতি নিয়ে রাখবেন
- শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরি ও নির্বাচন করা
- আপনার নিবন্ধিত একাউন্টে লগইন করার পদ্ধতি
- প্রোফাইলে তথ্য আপডেট ও ও হাল-নাগাত করার নির্দেশনা।
- ড্রাইভিং লাইসেন্স কত প্রকার কি কি??
- ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ম
- ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদনের বিভিন্ন ফি
- ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষার প্রস্তুতি 2026
- পরিক্ষায় ফলাফল দেখা ও স্মার্ট কার্ড ডাউনলোড
- লেখকের মতামত: BRTA ড্রাইভিং লাইসেন্স একাউন্ট খোলার গাইড
BRTA ড্রাইভিং লাইসেন্স অ্যাকাউন্ট খোলার গাইড
BRTA ড্রাইভিং লাইসেন্স একাউন্ট খোলার গাইড নিয়ম মেনে ধাপে ধাপে সমস্ত একাউন্ট খোলা এখন সব থেকে সহজ হয়ে উঠেছে। বিএসপি ( BSP ) ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে সঠিক তথ্য দিয়ে অ্যাকাউন্ট নিবন্ধিত করা ঘরে বসে ড্রাইভিং লাইসেন্স তৈরির সহজ নিয়ম। যেকোনো ডিভাইস মোবাইল ফোন অথবা ডেক্সটপ, laptop ব্যবহার করে বিআরটিএ অফিসে না যেয়ে আপনি নিবন্ধন করতে পারবেন।
অনলাইনে ড্রাইভিং লাইসেন্স একাউন্ট খোলার জন্য, বিএসপি পোর্টালে ঢুকা থেকে শুরু করে, সকল তথ্য প্রদান করে, ভেরিফাইসহ পুরো অ্যাকাউন্ট খোলা পর্যন্ত কিভাবে করব সে সকল বিষয় নিয়ে আজকে আলোচনা করব। অ্যাকাউন্ট খোলার ধাপে যাওয়ার আগে, আমাদের কিছু প্রস্তুতিমূলক কাজ আমরা দেখে নিই।এখন খোলার জন্য প্রয়োজনীয় কি কি কাগজ কি কি ডকুমেন্টস লাগে, চলুন সেগুলো নিচে তালিকা আকারে দেখে নেওয়া যাক।
বিআরটিএ পোর্টালে রেজিস্ট্রেশন করার নিয়ম,আপনার মোবাইল, পিসি বা ল্যাপটপ আপনার ক্রোম ব্রাউজারকে ওপেন করবেন। সার্চ বক্সে ক্লিক করব। সার্চ বক্সে BRTA শুধুমাত্র এই কথাটা লিখে সার্চ করবেন। তাহলে আমার ফোন বা লেপটপ স্ক্রিনে অনেক গুলো ওয়েবসাইট এর নাম দেখতে পাবেন। সব গুলো bsp.brta.gov.bd ওয়েবসাইট এর বিভিন্ন পোর্টাল। আমরা যেহেতু প্রাথমিক আবেদন করছি অর্থাৎ নিবন্ধন এর জন্য একাউন্ট করছি। তাই নিম্নলিখিত ওয়েবসাইট খুজে বের করবো যথা সম্ভব প্রথম থেকে দুই নাম্বারে থাকে বেশি ওটা প্রবেশ করবো। যেমন:
Welcome to BRTA Service Portal-বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন ওয়েবসাইট এ ক্লিক করে, প্রবেশ করুন
ওয়েবসাইট সাইটে প্রবেশ করা মাত্রই,আপনার সামনে একটা BRTA কর্তৃক একটা জরুরি বিজ্ঞপ্তি পেজ আসবে। এখানে তারা কি কি সেবা দিয়ে থাকেন, বিভিন্ন যানবাহন সংক্রান্ত লাইসেন্স সেবা, ফি প্রদান, BRTA বিভিন্ন অ্যাপস ইত্যাদি জরুরি দিক নির্দেশনা দেওয়া থাকবে। আপনার যদি ধৈর্য এবং হাতে সময় বেশি থাকে তাহলে আপনি পুরো বিজ্ঞপ্তি টি পরবেন। আর যদি পড়ার সুযোগ বা ইচ্ছে না থাকবে তবুএ কোনো সমস্যা নাই আপনি সেটা স্কিপ করে যেতে পারেন। জরুরি বিজ্ঞক্তি পেজের শুরুতে ডান সাইডে কোনাই ক্রস বাটন দেখতে পারবেন সেটাতে ক্লিক করুন।
আবারো আপনার সামনে ওয়েবসাইট এর বিভিন্ন অপশন আসবে। আমরা যেহেতু নিবন্ধন একাউন্ট করতে চাই। তাই ওয়েবসাইটের হোম পেজের ওপরে ডান কোনাতে (লেপটপ বা ডেস্কটপে) বা হোম পেজের ওপরে মাঝ বরাবর (অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলে) নিবন্ধন লেখা দেখতে পাবো। নিবন্ধন বাটনে ক্লিক করুন।
নিবন্ধন পেজে কয়েক ধরনের অপশন দেখতে পাবেন। এখানে মুলত নির্দিষ্ট স্থানে আপনার থেকে চাওয়া প্রয়োজনীয় তথ্যাদি দিতে হবে। নিবন্ধন পেজের ডানে ( লেপটপ বা ডেস্কটপে) বা একটু স্ক্রোল করে নিচের দিকে গেলে ( মোবাইলে) আপনার ডকুমেন্টস গুলো এড করার কয়েকটি বক্স দেখতে পারবেন।
প্রথম লাইনের তিনটা বক্সে আপনার জন্ম তারিখ লিখুন। ( দিন - মাস - বছর ) এই সিকুয়েন্সে। দ্বিতীয় বক্সে, আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রের নম্বর লিখুন ( ইংরেজিতে)। তৃতীয় বক্সে, আপনার সচল মোবাইল নাম্বার দিন।( ইংরেজিতে) শেষ বক্সের উপরে যে সিকিউরিটি কোডটি আছে, সেটা নির্ভুলভাবে লিখুন তারপর অনুসন্ধান করে এগিয়ে যান , মোবাইল নাম্বার ও ওটিপি প্রদান করে অ্যাকাউন্ট নিশ্চিত করা
উপরোক্ত সকল তথ্য দেওয়ার পরে অনুসন্ধান বাটনে ক্লিক করার পরে অ্যাকাউন্ট নিবন্ধন করুন পেজে নিয়ে আসবে অটোমেটিক। এখানে ওটিপি যাচাই করুন বক্সে, আপনার দেওয়া মোবাইল নাম্বারে পাঠানো ও ৬ সংখ্যার ওটিপিটি, সঠিকভাবে বক্সে লিখুন। অবশ্যই তিন মিনিটের মধ্যে লিখবেন। আপনি যদি ওটিপি না পান তাহলে আমার ওটিপি পাঠানোর জন্য রিকোয়েস্ট করতে বক্সের নিচে হলুদ কালারের ভেতরে "এখানে" লেখা অপশনটিতে ক্লিক করুন । তাহলে আপনার ফোনে পুনরায় আরেকটি ওটিপি যাবে। আপনি সেটি ৩ মিনিটের মধ্যে খালি বক্সের মধ্যে প্রদান করুন। খালি বক্সে ওটিপি লিখুন এবং ওটিপি যাচাই করুন এ ক্লিক করুন।
তারপরে আপনার সামনে আরো একটি পেজ open হবে। আপনার ওটিপি এবং ফোন নাম্বার যদি সঠিক হয়ে থাকে, তাহলে অ্যাকাউন্ট নিবন্ধন করুন লেখাটির পরে দেখবেন সবুজ কালারের লেখা আছে "your mobile number successfully verified." এই কথাটির নিচে একটু স্ক্রল করলে দেখবেন, আপনার নাম, জন্ম তারিখ,আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রের নম্বর, মোবাইল নম্বর যে তথ্যগুলো আপনি আগের পেজে দিয়েছিলেন, সেগুলো লেখা আছে। আপনি সেগুলো পুনরায় ভেরিফাই করে নিতে পারেন।
যদি সকল তথ্য ঠিক থাকে, তাহলে আমরা আগে আমাদের একটা ইমেইল নিয়ে রাখতে বলছিলাম, ওই ইমেইল এড্রেসটি নির্দিষ্ট ঘরে প্রদান করুন। যদিও ইমেইল এড্রেস এড করা বাধ্যতামূলক নয় আপনার একটা সফল ইমেইল এড্রেস থেকে থাকে। তাহলে সেটা দেওয়াই আমার মনে হয় ভাল হবে। পরের বক্সগুলোতে আপনার পাসওয়ার্ড দিতে বলবে। চলুন কিভাবে পাসওয়ার্ড তৈরি করবো, শক্তিশালী পাসওয়ার্ড কি কি লাগে সেগুলো দেখে আমরা একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরি করি।
শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তৈরি ও নির্বাচন করা
মোবাইল নম্বর প্রদান ইমেইল এড্রেস প্রদান বা সকল তথ্য প্রদানের পরে আপনার যে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো দিচ্ছেন। সেগুলো সিকোয়ার বা নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড এর কোন বিকল্প নাই। তাই এমন একটি পাসওয়ার্ড আমাদের নির্বাচন করতে হবে। যেটা অনেক শক্তিশালী এবং সহজে কেউ হ্যাক করতে পারবে না অথবা অনুমান করতে পারবে না।
- শক্তিশালী পাসওয়ার্ড যে যে তথ্য দিবেন।
- পাসওয়ার্ড ইংরেজিতে লিখবেন
- বড় হাতের ও ছোট হাতের অক্ষর মিলিয়ে দিবেন
- অক্ষরের সাথে কিছু সংখ্যাও যুক্ত করে দিবেন
- বিশেষ কিছু চিহ্ন যেমন: (@,#,&,$,*) ইত্যাদি যুক্ত করবেন।
- পাসওয়ার্ডটি ৮ থেকে ১২ অক্ষরের মধ্যে হলে সব থেকে ভালো হয়
- এমন পাসওয়ার্ড দিবেন যেটা আপনার সহজে মনে থাকবে
শক্তিশালী পাসোয়ার্ড নির্বাচন করা শেষ হলে, নিচের দুইটা খালি ঘরে বসাবেন। পাসওয়ার্ডটি মনে রাখার সুবিধার্থে। আপনার নোটবুকে লিখে রাখতে পারেন। কারণ পরবর্তীতে লগইনের জন্য, আপনার ফোন নাম্বার এবং পাসওয়ার্ডটি প্রয়োজন হবে। চলন পাসওয়ার্ডটি বক্সে বসানো যাক: পাসওয়ার্ড নির্বাচন করুন বক্সের মধ্যে আপনার নির্বাচিত পাসওয়ার্ডটি দিন। দ্বিতীয় বক্সটিতে আপনার নির্বাচিত পাসওয়ার্ডটি পুনরায় দিন। তারপরে "নিবন্ধন করুন" বাটনে ক্লিক করুন।
তাহলে আপনার একটি একাউন্ট তৈরি হয়ে যাবে। পরবর্তী পেজে কিভাবে আপনার নিবন্ধিত একাউন্টে প্রবেশ করবেন। সেটা নিয়ে আলোচনা করব।
আপনার নিবন্ধিত একাউন্টে লগইন করার পদ্ধতি
নিবন্ধন শেষে, বি আর টি এ সার্ভিস পোর্টাল থেকে নিবন্ধন করুন বাটনে ক্লিক করার সাথে সাথে brta service পোর্টালের লগ ইন পেজে নিয়ে আসবে। আপনি যদি সঠিকভাবে আপনার অ্যাকাউন্টটি নিবন্ধন করতে সফল হন। তাহলে লগইন পেজে বক্সের মধ্যে সবে সবার উপরে আপনার একটি সবুজ কালারের মেসেজ দেখাবে, সেখানে ইংরেজিতে লেখা থাকবে, "ACCOUNT CREATED SUCCESSFULLY. PLEASE LOGIN YOUR ACCOUNT BY PROVIDED MOBILE NUMBER AND PASSWORD. PLEASE ALSO CHECK MAIL FOR VALIDATE EMAIL. "
অর্থাৎ আপনার একটি সফল একাউন্ট হয়েছে। আপনি নিবন্ধনের সময় দেওয়া আপনার মোবাইল নাম্বারকে ইউজার নেম হিসেবে ব্যবহার করে, এবং আপনার নির্বাচন করা শক্তিশালী পাসওয়ার্ডটা ব্যবহার করে স্ক্রিনে দেওয়া সিকিউরিটি কোড বসিয়ে আপনার একাউন্টে লগইন করবেন। চলুন আমরা একাউন্টে লগইন করে দেখি : প্রথমে আপনার দেওয়া মোবাইল নাম্বারটি প্রথম বক্সে লিখুন। দ্বিতীয় বক্সে আপনার নির্বাচন করা শক্তিশালী পাসওয়ার্ড টা নির্ভুলভাবে বসান। শেষের বক্সে সিকিউরিটি কোডটা ভালোভাবে দেখে সম্পূর্ণ করতে লিখুন । সবশেষে লগইন বাটনে ক্লিক করুন।এর পরবর্তী পেজে আপনাকে আবার ভেরিফাই করার জন্য আপনার প্রধানকৃত মোবাইল নাম্বারে পুনরায় একটি সিকিউরিটি কোড বা ওটিপি পাঠানো হবে। আপনি সেই কোডটি সম্পূর্ণ ছয় সংখ্যার যে কোডটা দিবে সেটা ওটিপি বক্সে প্রদান করবেন। অবশ্যই চার মিনিটের মধ্যে কোডটি প্রবেশ করতে হবে। এরপরে ভেরিফাই বাটনে ক্লিক করবেন। বক্সে এসএমএসে পাঠানোর কোনটি প্রদান করুন, ভেরিফাই বাটনে ক্লিক করুন
ভেরিফাই বাটনে ক্লিক করা মাত্রই। আপনাকে নতুন একটি পেজে নিয়ে যাবে। যেটা হলো বিআরটিএ সেবা বাতায়ন পেজ। এই পেজ থেকে আপনি যাবতীয় আবেদন করতে পারবেন। মোটরযানের বিভিন্ন তথ্য বিভিন্ন আবেদন লিংক, এপয়েন্টমেন্ট, বিভিন্ন সেবার ফি, ফি পরিশোধের বিবরণ সহ সকল তথ্য পেয়ে যাবেন। সকল আবেদন আপনি এখান থেকে করবেন। তবে মনে রাখবেন আমি কিন্তু এখনো আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য আপনার সম্পুর্ন তথ্য যুক্ত করেন নি। তাই এখনি আপনি আবেদন করতে পারবেন না,বা করা আপনার জন্য ঠিক হবে না। তাই আমরা আগে আসাদের প্রোফাইল এর সকল তথ্য হালনাগাদ করবো তারপর আবেদন করবো বা আবেদন এর জন্য এলিজেবল হবো।
প্রোফাইলে তথ্য আপডেট ও ও হাল-নাগাত করার নির্দেশনা।
আমরা এখন যে পার্টটা নিয়ে আলোচনা করব সেটা এখন তো সব থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ
অংশ। এই অংশে আপনার সকল ব্যক্তিগত ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো স্পষ্টভাবে যুক্ত করতে
হবে। খুবই সাবধানতা অবলম্বন করে তথ্য যুক্ত করবেন। BRTA ড্রাইভিং লাইসেন্স
একাউন্ট খোলার গাইড অনুসরণ করে আপনার প্রোফাইলের তথ্য যুক্ত করে হালনাগাত করলে
আপনার ভুল হওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশে কমে যাবে। চলুন দেখে নেওয়া যাক তথ্য হালনাগাদ
পদ্ধতি সম্পর্কে। অবশ্যই এই কথা মনে রেখে তথ্য যুক্ত করবেন যে আপনার প্রোফাইল এখন
যে তথ্য যুক্ত করবেন সেগুলো চুড়ান্ত বলে গণ্য হবে এবং একবার হালনাগাত করা হয়ে
গেলে সেটা আর পরিবর্তন যোগ্য হবে না। যা তথ্য দিবেন পরবর্তীতে সেটা আপনার
ড্রাইভিং লাইসেন্স এর মুল তথ্য হিসেবে যুক্ত হবে।
বিআরটিএ-এর সেবা বাতায়ন পেজের ঠিক ডান সাইডে কোনার দিকে দেখবেন একজন মানুষের ছবির অনুরুপ প্রোফাইল পিকটার এর মতো একটা আইকোন আছে। ওখান থেকে মুলত তথ্য হালনাগাদ পেজটি পাবো। চলুন তথ্য হালনাগাদ পেজে প্রবেশ করি। পেজের ওপরে ডান কোনাতে থাকা প্রোফাইল অংশে ক্লিক করি আমাদের সামনে ছোটো ১টা ফ্লোটিং পেজ ভেসে আসবে, সেখানে ৩ টা অপশন থাকবে। যেমন :
- প্রোফাইল
- পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন
- লগআউট
আমাদের প্রোফাইল তথ্য যুক্ত ও হালনাগাদ করতে আমরা প্রোফাইল অপশন বেচে নিবো। প্রোফাইল ক্লিক করুন
ক্লিক করার পর আপনার সামনে আবারো BRTA Service Portal এর লগইন পেজ আসবে। আপনি আগের নিময় অনুযায়ী আবার আপনার নাম্বার ও পাসওয়ার্ড দিয়ে, সিকিউরিটি কোড টা সঠিক ভাবো যুক্ত করে লগইন করবেন। username: ( আপনার ভেরিফাইকৃত ফোন নাম্বার)password:(আপনার নির্বাচন করা ৮-১২ অক্ষর পাসওয়ার্ড)
security code:(আপনার স্ক্রিনে দেওয়া ক্যাপচা কোড)
log in (চাপ দিন)
লগইন করার পর আপনাকে ইউজার প্রোফাইল পেজে নিয়ে আসবে। যদি আপনি আগে থেকে লগইন করে থাকেন তাহলে লগইন ছাড়াই প্রোফাইলে ক্লিক করলে আপনাকে ইউজার প্রোফাইলে নিয়ে আসবে। এখানে ইউজারের বৃত্তান্ত অপশনে আপনার তথ্যগুলো প্রদান করতে হবে। ইউজার প্রোফাইলে ঢুকেই দেখবেন ওরা আপনাকে নির্দিষ্ট কিছু তথ্য সতর্কতা হিসেবে দিয়ে দিছে যেমন :
জাতীয় পরিচয় পত্রের নম্বর, জন্ম তারিখ ও ব্যবহারকারীর নাম( ইংরেজিতে) এটা অটোমেটিক দেওয়া থাকবে কারণ আপনি অ্যাকাউন্ট করার সময় দিয়েছিলেন। পিতার নাম (ইংরেজিতে), মাতার নাম ( ইংরেজিতে ) ও মাতার নাম (বাংলা) এটা আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রের সাথে মিল রেখে লিখবেন। লিঙ্গ(সঠিক লিঙ্গ নির্বাচন করবেন), পাসপোর্ট নং(যদি পাসপোর্ট থাকে তাহলে পাসপোর্ট এর নম্বরটি দিবেন আর যদি না থাকে তাহলে স্কিপ করবেন), রক্তের গ্রুপ : সঠিক রক্তের গ্রুপটা এড করবেন। জন্ম নিবন্ধন নং : যদি জন্ম নিবন্ধন থেকে থাকে তাহলে অবশ্যই নাম্বারটা দিবেন না দিলেও সমস্যা নাই।
এরপরের সেকশনে পাবেন ঠিকানা। ঠিকানা লেখার সময় অবশ্যই আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র অনুযায়ী বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা তথ্য প্রদান করুন। ঠিকানাতে আপনার দুইটা সেকশন পাবেন। বর্তমান ঠিকানা ও স্থায়ী ঠিকানা। বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানার সবগুলোই কমন সেকশন রয়েছে। যেমনঃ হোলিং নম্বর বা গ্রাম বা বাড়ি, রোড বা ব্লক বা সেক্টর বা পাড়া বা মহল্লা, বিভাগ, জেলা, থানা ও পোস্ট কোড।
বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানার জন্য সবগুলো সবগুলো একই বক্স। আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র অনুযায়ী সকল তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করবেন অবশ্যই বাংলাতে পূরণ করবেন। যদি আপনার বর্তমান ঠিকানা ও স্থায়ী ঠিকানা একই হয়। তাহলে পাশের কোনায় দেখবেন লেখা আছে সবুজ কালারের বা নীল কালারের। "বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা কি একই? " পাশে একটা ছোট বক্স আছে এবং সাইডে লেখা আছে হ্যাঁ আপনি ওই বক্সের হাতে ক্লিক করবেন তাহলে টিক চিহ্ন উঠে আসবে। তাহলে আপনার আর ঠিকানা দেখার লাগবে না একটা লিখলেই দুইটাই কমপ্লিট হয়ে যাবে।
সর্বশেষ ডানকোনায় দেখবেন লেখা আছে প্রোফাইল হালনাগাদ। যদি আপনার সকল তথ্য এবং জাতীয় পরিচয় পত্রের সাথে মিল থাকে। তাহলে আপনি প্রোফাইল হালনাগাদ বাটনে ক্লিক করবেন। এবং আপনার প্রোফাইলের তথ্যগুলো হালনাগাদ করে নিবেন। আপনার প্রোফাইলের তথ্য হালনাগাদ হয়ে গেলে। আপনি দিয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে উপযোগী হয়ে যাবেন। ড্রাইভিং লাইসেন্স এর তথ্য হালনাগাদ হয়ে গেছে। এখন আমরা ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারব। চলুন দেখে নেয়া যাক ড্রাইভিং লাইসেন্স কত প্রকার সেগুলোতে আবেদন করতে যোগ্যতা বা শর্ত কি কি।
ড্রাইভিং লাইসেন্স কত প্রকার কি কি??
বাংলাদেশের রোডে চলাচলের সময় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে, অ্যাক্সিডেন্টের পরিমাণ কমাতে, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বি আর টি এ) সংস্থাটি দুই ধরনের ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করে থাকেন।
- অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স ( non professional licence)
- পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স ( প্রফেশনাল লাইসেন্স)
চলুন দেখে নেয়া যাক অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স কোনটা কি ধরনের লাইসেন্স এবং কোনটা কেন কোন সময় বা করতে হয়।
পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স এর ক্ষেত্রে কিছু ভাগ আছে। যেমনঃ
- পেশাদার হালকা : এখানে এমন সব যানবাহন এর জন্য লাইসেন্স দেওয়া হয় যেটা ২৫০০ কেজির নিচে ওজন।
- পেশাদার মধ্যম :এটাতে ওই সকল যানবাহনের জন্য লাইসেন্স দেওয়া হয় যার ওজন ২৫০০ কেজি থেকে ৬৫০০ কেজি পর্যন্ত।
- পেশাদার ভারী : এখানে ঐ সকল যানবাহন বা গাড়িগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করা হয় বা লাইসেন্স প্রদান করা হয় যেগুলোর ওজন ৬৫০০ কেজির বেশি।
অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স হলো সেই লাইসেন্স যেটা আপনি আপনার পার্সোনাল মোটরসাইকেল প্রাইভেট কার ইত্যাদি চালানোর জন্য নিয়ে থাকেন। অর্থাৎ আমাদের পার্সোনাল ব্যবহারের যানবাহনের জন্য যে লাইসেন্স করা হয় সেটাই হলো অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স। চলুন এখন আমরা ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে প্রয়োজনীয় শর্তগুলো জেনে নেই বা আমরা কারা ড্রাইভিং লাইসেন্স করার জন্য এলিজিবল সেগুলো জেনে নিন।
বিএসপি পোর্টালে ঢুকতে কি কি প্রস্তুতি নিয়ে রাখবেন
বিএসপি পোর্টালে ঢুকে নিবন্ধন করার আগে, আমরা যদি প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস বা সরঞ্জাম গুছিয়ে প্রস্তুত হয়ে বসি, তাহলে বি আর টি এ ড্রাইভিং লাইসেন্স একাউন্ট খোলার গাইড মেনে একাউন্ট খোলা অনেক সহজ হয়ে উঠবে। যেকোনো ঝামেলা মুক্ত থাকতে, সঠিক তথ্য প্রদান করতে, সময়ের মধ্যে ভেরিফিকেশন করতে, শর্ত অনুযায়ী সঠিক তথ্য সময়ের মধ্যে আপলোড করার জন্য, প্রয়োজনীয় সকল তথ্য বা ডকুমেন্ট গুছিয়ে হাতের কাছে রাখা খুবই প্রয়োজনীয়।
প্রয়োজনীয় জিনিসের তালিকা দেখে নিন:
- আপনার নিজের জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল কপি।
- একটি সচল সিম বা মোবাইল নম্বর যেটা নিজের এনআইটিতে হলে ভালো হয়।
- আপনার ফোনে লগইন থাকা ইমেইল এড্রেস
- সঠিক ইন্টারনেট কানেকশন
এই তথ্য বা ডকুমেন্টস গুলো গুছিয়ে রাখতে পারলে, আবেদন করার মাঝামাঝি বা মধ্যবর্তী সময়ে কোনরকম ঝামেলায় যুক্ত না হয়ে বি আর টি এ ড্রাইভিং লাইসেন্স একাউন্ট খোলার গাইড অনুসরণ করা যায়।
মোবাইল নাম্বারটি নিজের এনআইডি দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করা থাকতে হবে। কারণ পরবর্তীতে সকল ওটিপি আপনার সচল মোবাইল নাম্বারে প্রেরণ করা হবে। একটি চালু থাকা বা বর্তমানে ইউজ করা আপনার পার্সোনাল ইমেইল এড্রেস রাখতে হবে। সেখানে কোন মেসেজ গেলে যেন আপনি দেখতে পারেন এরকম ইমেইল এড্রেস প্রস্তুত থাকতে হবে। চলুন দেখে নেওয়া যাক আমরা কিভাবে বিআরটিএ পোর্টালে ঢুকে ধাপে ধাপে অ্যাকাউন্ট খোলা সম্পন্ন করব। বিএসপি পোর্টাল সকাল ৮ থেকে রাত ১০ পর্যন্ত খোলা থাকে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় নিয়মনীতি
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের শর্তা অনুযায়ী। ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে হলে কয়েকটি মেইন শর্ত আছে। প্রথমে আমরা মেইন শর্তগুলো দেখি পরবর্তীতে ডিটেইলস দেখব। ড্রাইভিং লাইসেন্স শর্ত :
- ড্রাইভিং লাইসেন্সের পূর্ব শর্ত হলো লার্নার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স নিতে হবে
- ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনকারীর নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণী পাশ হতে হবে।
- অপেশাদার (non professional) ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর।
- পেশাদার (professional ) ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য নূন্যতম বয়স 21 বছর হতে হবে।
- শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ সবল থাকতে হবে।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ মুন লাইসেন্স প্রদান করার আগে আমাদের সাধারণত গাড়ি চালানো শেখার জন্য এক ধরনের লাইসেন্স দিয়ে থাকেন, যেটার মেয়াদ ৩ মাস হয়ে থাকে, এই তিন মাসের মধ্যে ওই লাইসেন্সের আন্ডারে থেকে আমাদের গাড়ি চালানোর প্রশিক্ষণ নিতে হয়। আমরা যে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে একাউন্ট করলাম সেখানে লাইসেন্সের জন্য আবেদন করুন অপশন থেকে আবেদন করতে গেলে সেখানে লার্নারের জন্য আবেদন করানো হবে। আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার সাথে সাথেই শিক্ষানবিশ বা লার্নার লাইসেন্স ইস্যু করা হবে এবং গ্রাহক সাথে সাথেই সেটা প্রিন্ট করে নিতে পারবেন। লার্নারের জন্য প্রয়োজনীয় শর্ত।
- রেজিস্টার ডাক্তার কর্তৃক মেডিকেল সার্টিফিকেট নিতে হবে। যেটার সাইজ হবে সর্বোচ্চ ৬০০ কে.বি। মেডিকেল সার্টিফিকেট এর ফরম আপনি কোথায় পাবেন চলুন দেখে নেওয়া যাক
- বিএসপি--->প্রোফাইল ড্যাশবোর্ড--->ড্রাইভিং লাইসেন্স--->ড্রাইভিং লাইসেন্স এর আবেদন এই অপশনে পাবেন।
- জাতীয় পরিচয় পত্রের স্ক্যান কপি ( সর্বোচ্চ ৬০০ কিলোবাইট)
- ইউটিলিটি বিলের স্ক্যান কপি ( সর্বোচ্চ ৬০০ কিলোবাইট)
- একজন গ্রাহক বা বিএসপি ব্যবহারকারী ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবে।
- শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের স্ক্যান কপি ( সর্বোচ্চ ৬০০ কিলোবাইট) ন্যূনতম অষ্টম শ্রেণী পাস হতে হবে।
- আপনি বর্তমান ঠিকানায় উল্লেখিত থানার ওপর ভিত্তি করে আবেদনটি সংশ্লিষ্ট বি আর টি এ সার্কেল অফিসের আওতাধীন হবেন
- আপনি অনলাইনে আবেদনের বাংলা ও ইংরেজিতে নির্ভুল তথ্য যথাযথ ফোন করবেন
- অনলাইনে আবেদন দাখিলের সময় ভুয়া তথ্য প্রদান করা হলে স্মার্ট ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিলসহ তার বিরুদ্ধে আইননুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
- এ সকল তথ্য মেনে নিলে বা আপনি সমর্থন করলে আমি একমত বাটনে ক্লিক করে আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য বা লার্নারের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
ড্রাইভিং লাইসেন্স আবেদনের বিভিন্ন ফি
আপনি যেহেতু অনলাইনে আবেদন করেছেন বা করতে চাচ্ছেন তাহলে অবশ্যই এর একটা সি আছে এবং সেটা আপনাকে পরিশোধ করা লাগবে। আপনি চাইলে সেটা অনলাইনে পরিশোধ করতে পারবেন। তাহলে চলুন আমরা জেনে নেই কোনটার ক্ষেত্রে কত ফি লাগে।
- যেকোনো শ্রেণীর যানবাহনের জন্য। যেমন: মোটরসাইকেল বা শুধু কার লাইট যানবাহনের জন্য সর্বমোট ৫১৮ টাকা।
- দুই রকম যানবাহনের জন্য অর্থাৎ মোটরসাইকেল প্লাস কার বা লাইট যানবাহন দুইটাই একসাথে এটার সর্বমোট ফি ৭৪৮ টাকা
- শুধুমাত্র শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স ফি ২৫০ টাকা যার মেয়াদ ছয় মাস এটা দুই ক্যাটাগরির জন্য প্রযোজ্য।
- লার্নার লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হলে সেটা নবায়নযোগ্য ফি ২৮৮ টাকা।
- অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স ফি সর্বমোট ৪৫৫৭ টাকা।যে তার মেয়াদ থাকবে ১০ বছরের।
- পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স ফি সর্বমোট ২৮৩২ টাকা যার মেয়াদ ৫ বছর।
- ড্রাইভিং লাইসেন্স এর মেয়াদ যদি শেষ হয়ে যায় এবং আপনি রিনিউ না করান তাহলে প্রতিবছর আপনার বিলম্ব ফি যুক্ত হবে ৫১৮ টাকা।
- অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নযোগ্য ফি ৪২১২ টাকা
- পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নযোগ্য ফি ২০৪৮৭ টাকা
নবায়নযোগ্য ফি তখনই প্রযোজ্য হবে যখন আপনার ড্রাইভিং লাইসেন্সের মেয়াদ দুই মাসের কম থাকবে। আমরা ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য যতটুকু জানা দরকার জানলাম। এখন আপনারা নিজেরা ভেবেচিন্তে ডিসিশন নিন আপনি কোন ধরনের লাইসেন্স করতে চাচ্ছেন।ডিসিশন নেওয়ার শেষ হলে অবশ্যই আবেদন করবেন এবং আমাদেরকে কমেন্টে জানাবেন। লাইসেন্স আবেদন করা হলে অবশ্যই আমাদের পরীক্ষা দিতে হবে তাই না? পরীক্ষার প্রিপারেশন সম্পর্কেও তো আমাদের কিছু নলেজ বা জানা দরকার। চলুন তাহলে পরীক্ষার প্রিপারেশন সম্পর্কে আমরা কিছু প্রশ্ন উত্তর দেখে আসি।
ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষার প্রস্তুতি 2026
আমাদের সবকিছু তথ্য হালনাগাদ করে লার্নার লাইসেন্স পাওয়ার পর তিন মাসের যে প্রশিক্ষণের জন্য আমাদের ছেড়ে দেওয়া হয় তিন মাস পরে বা তার মধ্যেই বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ মেইন লাইসেন্স বা স্মার্ট কার্ড দেওয়ার জন্য একটা তিন ধাপের পরীক্ষা থাকেন। প্রথমত লিখিত পরীক্ষা, প্রাকটিক্যাল পরীক্ষা সর্বশেষ মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের কার্যক্রম সমাপ্ত হয়। এখন আমাদের চিন্তা একটাই আমরা কিভাবে পরীক্ষার জন্য পিপারেশন নিব।
পরীক্ষায় পাস করে স্মার্ট কার্ড ও মেইন ড্রাইভিং লাইসেন্স টাকে হাসিল করব। তাই আমরা অনেক দ্বিধাদ্বন্দে ভুগি যে আমরা কি পড়বো কই থেকে প্রিপারেশন নেব। এই পোষ্টের পরবর্তী অংশটুকু আপনার জন্য খুবই উপকারী একটা অংশ হবে। কারণ BRTA ড্রাইভিং লাইসেন্স একাউন্ট খোলার গাইড অনুসরণ করে প্রিপারেশন নিলে আশা করা যায় আপনি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করবেন। সম্পূর্ন প্রিপারেশন নেওয়ার সঠিক গাইড লাইন দেখে নিন।
লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার পিপারেশন গাইড
লিখিত পরীক্ষায় সাধারণত, ২০ থেকে ২৫ মার্কের অবজেক্টিভ থাকে ও মৌখিক পরীক্ষায়ও লিখিত বিষয় সময়ের উপর প্রশ্ন করা হয়। যেমনঃট্রাফিক আইন,সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮,বিভিন্ন ট্রাফিক সাইন,যানবাহনের মেকানিক্যাল তথ্য ও রক্ষণাবেক্ষণ,সড়ক নিরাপত্তা ও আইন,আইন ও শাস্তি, সকল টপিকের উপরে বিভিন্ন বই অনলাইন পিডিএফ থেকে তথ্য ও প্রশ্ন সংগ্রহ করে প্রিপারেশন নিতে পারেন। মৌখিক পরীক্ষায় মূলত এ সকল টফিকের ওপরেই প্রশ্ন করা হয়। এবং বোর্ডে বিভিন্ন সাইন দেখিয়ে সেগুলোর ওপর প্রশ্ন করা হয়। আপনার সুবিধার জন্য কিছু সাইন এর বোর্ড নিচে এড করা হলো।
প্রাকটিক্যাল পরীক্ষার গাইডঃ প্রাকটিক্যাল পরীক্ষায় সাধারণত, ফিল্ড পর্যায়ে আপনার গাড়ি চালানোর অভিজ্ঞতা যাচাই করা হয়। আপনার বিভিন্ন যানবাহন কন্ট্রোল, স্টিয়ারিং কন্ট্রোল, ভারসাম্য রক্ষা। বিভিন্ন মাধ্যমে রেংক টেস্ট করা হয়। আপনি বিভিন্ন ভিডিও দেখে। প্রাকটিকাল পরিক্ষায় নিয়ম ও পদ্ধতি দেখে নিজে প্রাকটিস করতে পারেন। জিগ-জাগ টেস্টঃ আঁকাবাকা রাস্তায় গাড়ি চালিয়ে সামনে বা পিছনে আসা কোনো রকমস্পর্শ ছাড়া।
পরিক্ষায় ফলাফল দেখা ও স্মার্ট কার্ড ডাউনলোড
পরিক্ষা শেষ হওয়ার পর ফলাফল জানতে এবং ই-লাইসেন্স সংগ্রহ করতে BRTA ড্রাইভিং লাইসেন্স একাউন্ট খোলার গাইড অনুসরণ করতে পারেন। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন কিনা রেজাল্ট ড্যাসবোর্ড চেক করবেন। বিএসপি পোর্টালে আপনার ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন। মেনুবার থেকে 'ড্রাইভিং লাইসেন্স' অপশনে গিয়ে 'Application Status'-এ ক্লিক করুন। আপনার লার্নার নম্বর দিয়ে সার্চ করলে পাস/ফেল রেজাল্ট স্ক্রিনে দেখতে পাবেন।
ফি পরিশোধ করুন।পরীক্ষার রেজাল্ট চেক এবং ই-লাইসেন্স ডাউনলোড। বিএসপি ড্যাশবোর্ড থেকে সরাসরি কিউআর কোডযুক্ত ই-লাইসেন্স কার্ড ডাউনলোড করা যায়। BRTA ড্রাইভিং লাইসেন্স একাউন্ট খোলার গাইড মেনে ফি পরিশোধ করলেই এই ডিজিটাল লাইসেন্সটি প্রিন্ট করার অপশন চলে আসবে। ই-লাইসেন্স কপির প্রিন্টআউট সঙ্গে রেখে আসল স্মার্ট কার্ড পাওয়ার আগে পর্যন্ত গাড়ি ড্রাইভিং করতে পারবেন।
লেখকের মতামত: BRTA ড্রাইভিং লাইসেন্স একাউন্ট খোলার গাইড
একসময়ের সব থেকে কঠিন কাজ BRTA ড্রাইভিং লাইসেন্স একাউন্ট খোলার গাইড অনুসরণ করে ধাপে ধাপে খুব সহজেই আমরা অ্যাকাউন্ট নিবন্ধন করে স্মার্ট কার্ড পাওয়া পর্যন্ত ঘরে বসে অনলাইনে করে ফেলছি। উপরে আমরা দেখেছি। কিভাবে নিবন্ধন থেকে স্মার্ট কার্ড পাওয়া পর্যন্ত সকল কার্যক্রম ধাপে ধাপে সম্পন্ন করা যায় শুধুমাত্র বসে মোবাইল ল্যাপটপ এর মাধ্যমে।
তাই আমি আপনাকে বলব যে, আপনি যদি BRTA ড্রাইভিং লাইসেন্স একাউন্ট খোলার গাইড সম্পূর্ণভাবে মেনে ধীরে ধীরে ধাপে টাপে সকল তথ্য মেনে আপনি আপনার ঘরে বসে ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেন। তাহলে আপনিও একজন ড্রাইভিং লাইসেন্সের অধিকারী হতে পারেন। তাই সহজ করে দেবে আমাদের এই পুরো আর্টিকেলটি। আর্টিকেলটি পরে যদি আপনার কোন কাজে এসে তাকে অবশ্যই কমেন্টে মন্তব্য করে যাবেন। ধন্যবাদ।











টপিকহাব ডিজিটালের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url